লাইফ স্টাইল

ডায়াবেটিস রোগীরা ভুলেও খাবেন না এই পাঁচ খাবার, যার ফল হতে পারে মারাত্মক

ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য মিষ্টি এবং শর্করা যুক্ত খাবার বিষের থেকে কম নয়। শর্করা ও মিষ্টি জাতীয় খাবার খুব দ্রুত রক্তে গ্লুকোজের পরিমান বাড়িয়ে দেয়। এর ডায়বেটিস বেড়ে যায়। দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস থাকলে কিডনি, লিভার, হার্ট দুর্বল হতে থাকে, পা ফুলে যায়, চোখ খারাপ হতে থাকে। তাই ডায়াবেটিস রোগীর খাবার খাওয়ার সময় সতর্ক থাকা উচিত। এবং মিষ্টি ও শর্করা জাতীয় খাদ্য বর্জন করা উচিত।

কিন্তু কিছু লোক আছেন যারা কিছুতেই তাদের খাওয়া-দাওয়ার ইচ্ছে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন না। আবার কেউ কেউ এতটাই অসচেতন যে সব জেনেশুনেও এইসব ধরণের খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকে না। যা তাঁদের স্বাস্থ্যের জন্য খুবই বিপজ্জনক। ভারতের বিখ্যাত পুষ্টি বিশেষজ্ঞ নিখিল ভাটস বলেন, ডায়াবেটিস রোগীর কিছু কিছু বিশেষ খাবার এবং পানীয় এড়িয়ে চলা উচিত। নাহলে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বাড়তে শুরু করবে।

বর্তমানে অনেকেই শুধু দুধ না খেয়ে, দুধের সঙ্গে চকোলেট সিরাপ মিশিয়ে পান করে। কিন্তু এই অভ্যাস ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য চরম বিপদ ডেকে আনতে পারে। চকোলেট সিরাপে প্রচুর পরিমানে গ্লুকোজ থাকে। তাই এর থেকে দূরে থাকাই শ্রেয়। আবার অন্য দিকে দইকে খুবই স্বাস্থ্যকর মনে করে অনেক ডায়াবেটিস রোগীই খেয়ে থাকেন। তবে দই খাওয়ার আগে দেখে নিতে হবে সেটি যেন সরাসরি দুধ থেকেই তৈরি হয়। কারণ বর্তমানে বাজারে ‘ফ্লেভারড’ দই খুব পরিমানে পাওয়া যাচ্ছে যে খুবই ক্ষতিকর। এটি রক্তে দ্রুত শর্করার পরিমান বাড়িয়ে দেয়।

তাজা ফলকে প্রায়শই স্বাস্থ্যকর ভেবে অনেক ডায়াবেটিস রোগী ডায়েটে অন্তর্ভুক্ত করে থাকেন। তবে এমন কিছু ফল আছে যা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি করে। যেমন আম, কাঁঠাল, আঙ্গুর এবং আনারসে উচ্চ চিনির পরিমাণ পাওয়া যায়। তাই এই ধরণের ফল ডায়াবেটিস রোগীদের না খাওয়াই ভালো। খাবারের স্বাদ বাড়াতে অনেক সময় টমেটো সস যোগ করা হয়। এই ধরণের সসে উচ্চমাত্রার চিনির উপাদান পাওয়া যায় যা খুব দ্রুত রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। তাছাড়া চিনি, মধু, আলু, কচু, ওল ইত্যাদি খাবার সরাসরি ডায়াবেটিসের জন্য পরিত্যাজ্য।

Related Articles