লাইফ স্টাইল

নরম তুলতুলে রুটি তৈরি করতে আটা মাখুন এই ভাবে

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বেঁচে থাকার প্রধান তিনটি জিনিসের মধ্যে একটি হল খাদ্য বা খাবার। এই খাদ্য ছাড়া আমরা কেউই বেঁচে থাকতে পারবো না। সুতরাং বেঁচে থাকার জন্য খাদ্য আমাদের অত্যন্ত দরকারি। প্রত্যেক দেশেরই খাবার ভিন্ন ভিন্ন। সেরকমই আমাদের ভারতবর্ষের মানুষদের কাছে প্রধান খাদ্য হলো ভাত এবং রুটি। বেশিরভাগ মানুষ দুপুরের দিকে অনেকে ভাত খেলেও রাত্রে কিন্তু অনেকে রুটি খেতেই ভালোবাসে।

এই রুটি বানাতে গিয়ে অনেক সময় গৃৃহবধূদের অবস্থা খারাপ হয়ে যায় কারণ শত চেষ্টা করেও তারা রুটি ফোলাতে পারেন না। ফলস্বরুপ, কাজ করে ফিরে আসা পুরুষদের শক্ত রুটি খেয়ে মেজাজ চড়ে যায় তার বউ বা মায়ের ওপর। এর ফলে অনেকেই দোকান থেকে রুটি কিনে নিয়ে এসে খান। তাই দোকান থেকে রুটি কেনার দরকার নেই। কোমল নরম রুটি বানিয়ে ফেলুন এই ঘরোয়া পদ্ধতিতে। দেখবেন আপনার রুটি হবে নরম এবং ফুলকো। রুটি তৈরী করার আগে আটা মাখার কিছু বিশেষ পদ্ধতি আছে চলুন দেখে নেওয়া যাক সেই পদ্ধতি।

প্রথমত, আটা মাখার আগে আটাটিকে ভালো করে চালনা দিয়ে চেলে নেবেন যাতে তার মধ্যে কোন পোকা-মাকড় না থাকে।দ্বিতীয়ত, আটা সবসময় গরম জল দিয়ে মাখা উচিত। গরম জল দিয়ে আটা মেখে বেশ কিছুক্ষণ রেখে দিন এবং তার কিছুক্ষণ পর রুটি তৈরি করুন। দেখবেন রুটি হবে নরম এবং ফুলকো।

তৃতীয়ত, নরম তুলতুলে রুটি তৈরি করার জন্য আটা মাখার সময় তাতে দুধ বা দইও ব্যবহার করতে পারেন। এতে রুটি যেমন নরম হবে সেরকম সুস্বাদুও হবে। তবে সব সময় এই দুধ বা দই ব্যবহার না করলেও দূরবর্তী কোনো স্থানে যাবার সময় যদি রুটি নিয়ে যান তাহলে দুধ বা দই ব্যবহার করবেন। এতে আপনার রুটি অনেক তরতাজা থাকবে।

এছাড়াও, আটার লেচি কাটার পর রুটি বেলার সময় অনেকেই আটার গুড়ো ব্যবহার করেন। এরপর চিমটি যুক্ত তাওয়ায় সেই রুটি দেওয়ার আগে সেই রুটিটিকে ভালো করে ঝেরে তারপর সেই তাওয়ায় দেবেন। এবং আপনাকে সতর্ক থাকতে হবে রুটি যাতে পুড়ে না যায়। কারণ রুটি পুড়ে গেলে সেই রুটি আর ফুলবে না। এবং রুটি অবশ্যই সেঁকে খাবেন। এই পদ্ধতি মেনে চললে দেখবেন আপনার রুটি লুচির মত ফুলে উঠবে এবং নরমও হবে। এর সাথে আপনার স্বামীর মনও নরম হয়ে যাবে।

Related Articles