এই একটি ছোট্ট কৌশলে আপনিও বুঝতে পারবেন আম টক না মিষ্টি, জেনেনিন পদ্ধতি

গ্রীষ্মের দাবদাহে প্রাণ ওষ্ঠাগত, তবে এমন কিছু মানুষ রয়েছেন যারা এই ঋতুর জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকেন। যার নেপথ্যে রয়েছে ফলের রাজা আম। আমরা সকলেই জানি যে গ্রীষ্মকাল ভ্যাপসা গরমের সাথে বাহারি আমের সম্ভারও নিয়ে আসে। তবে বাজার থেকে ভালো আম বাছাই করে কেনার জন্য বেশ কিছু জিনিস মাথায় রাখতে হয়।

কারণ, ভালো আম বাছাই করার কয়েকটি নিয়ম রয়েছে। যেগুলি না জানলে ঠকে যেতে হয়। আজ আমরা এমন কিছু নিয়ম সম্পর্কেই জানবো, যার দ্বারা আপনি খুব সহজেই মিষ্টি এবং পাকা আম বাড়িতে নিয়ে আসতে পারবেন।

*প্রথমত আম কেনার সময় সেগুলোকে স্পর্শ করে দেখুন। যদি আমগুলি স্পর্শ করার পর আঙুল ডুবে যায় তাহলে বুঝবেন আম মিষ্টি। তবে খেয়াল রাখবেন এই আম যাতে আগে থেকে পচা বা ডেবে যাওয়া না হয়।

*ফুটবলের মতোন গোল আকৃতির আমগুলি সাধারণত মিষ্টি হয়। পাতলা ও চ্যাপ্টা আম নেবেন না। এছাড়া বেশি মোটা ছালযুক্ত আম খাওয়ার যোগ্য হয় না।

*আমের গন্ধ নিয়ে দেখুন তাতে কোনো অ্যালকোহল বা ওষুধের বন্ধ আছে কিনা। কারণ, কিছু আম রাসায়নিকের সাহায্যে জন্মায় ও বড়ো হয়। তাই তাদের স্বাভাবিক স্বাদ থাকে না। কান্ডের কাছে আমের গন্ধ নিয়ে যদি মিষ্টি গন্ধ পান তাহলে তা পাকা এবং মিষ্টি হবে।

*কোন আমে যদি দাগ থাকে বা বলিরেখা থাকে তাহলে ভুল করে সেগুলি কিনবেন না। কারণ, এই আম খাওয়ার যোগ্য নয়।

এগুলি তো ছিল আম কেনার নিয়ম। এছাড়া বেশ কিছু আমের নাম এবং তাদের পাকা ও মিষ্টি হওয়ার বৈশিষ্ট্য জেনে নিন।

*ফ্রান্সিস আম(Francis Mangoes): এটি পাকলে সাধারণত বর্ণমালার ‘S’ আকৃতির হয় এবং হালকা সবুজ দেখায়। আর সম্পূর্ণ বড়ো হয়ে গেলে তা হলুদাভ সোনালী রঙের দেখায়।

*আতাউলফো আম(Ataulfo Mangoes): সম্পূর্ণ পাকার পর এই আম সামান্য কুঁচকে যায় এবং নরম হয়।

*হ্যাডেন আম(Haden Mangoes): এই আমের গায়ে হলুদ রঙের ছোট ছোট দাগ দেখা যায়। ডিম্বাকৃতি বা বৃত্তাকার এই আম বেশিরভাগ এপ্রিল-মে মাসেই পাওয়া যায়।